আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): সিবতে আকবার, বেহেশতের যুবকদের সর্দার, মহানবী (সা.)-এর দৌহিত্র, আমিরুল মুমিনীন আলী (আ.) ও হযরত ফাতেমা (আ.)-এর প্রথম সন্তান তৃতীয় হিজরীর ১৫ই রমজানে জন্মগ্রহণ করেন।
নবী করীম (সা.) সুখবর শোনা মাত্রই মোবারকবাদ জানানোর জন্য হযরত আলী ও মা ফাতেমা (আলাইহিমুস সালাম)-এর বাড়িতে জান। নবীজি এই নবজাত শিশুর নাম আল্লাহর পক্ষ থেকে রাখেন হাসান।
ইমাম হাসান (আ.) প্রায় সাত বছর মহানবী (সা.)-এর সাথে ছিলেন।প্রিয় নানাজী তাঁকে অত্যন্ত ভালবাসতেন এবং বলতেন : “যারা হাসান ও হুসাইনকে ।ভালবাসবে প্রকৃতার্থে তারা আমাকেই ভালবাসলো। আর যারা এ দুজনের সাথে শত্রুতা করবে তারা আমার সাথেই শত্রুতার করলো (বিহারুল আনওযার,৪৩তম খণ্ড,পৃ. ২৬৪)।
নবীজির থেকে মশহুর হাদীসে উল্লেখ রয়েছে:“হাসান ও হুসাইন বেহেশতের যুবকদের নেতা।”(তারিখুল খুলাফা,পৃ. ১৮৯)
নবীজি যখন আল্লাহর নির্দেশে নাজরানের খৃস্টানদের সাথে মুবাহিলা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তখন তিনি হযরত ফাতেমা (সা.আ.), হযরত আলী (আ.)- এবং ইমাম হাসান, ইমাম হুসাইনকে আল্লাহর নির্দেশে সাথে নিয়ে জান। সূরা আলে ইমরানের ৬১ নং আয়াত অর্থাৎ মুবাহিলার আয়াত নাযিল হয় এবং আয়াতে এই আলৌকিক ঘটনা স্পষ্টতার সাথে বয়ান করা হয়েছে।
এছাড়া সূরা আহযাবের ৩৩ নং আয়াত অর্থাৎ আয়াতে তাতহীর, নবীজির আহলে বাইত; (আ.) হযরত আলী, হযরত ফাতেমা, ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন (আলাইহিমুস সালাম)-এর পবিত্রতা ও নিষ্পাপতা প্রকাশে অবতীর্ণ হয়।
Your Comment